কী সেই ফ্যাক্টরগুলো যা নারীরা আশা করে তার প্রিয় পুরুষের কাছ থেকে?

মেয়েদের মন বোঝা খুব কঠিন- একথা স্বীকার করেছেন পৃথিবীর তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্বরাও। সাধারণ মানুষের কাছে তো এটা নিত্যদিনের সমস্যা। এই বোঝাপড়ার সমস্যার কারণে সম্পর্কে সমস্যার শেষ থাকে না। আর এই সমস্যা মানেই মানসিক যন্ত্রনা। ভালো আছি তবু কোথাও যেন একটা খুঁত থেকে গেল। এমন একটা অনুভূতি। তবে কি এর কোনো সমাধান নেই? একদল আমেরিকান সাইকোলজিস্ট বলছেন কয়েকটি ব্যাপারে খেয়াল রাখলে সাবলীলভাবে সম্পর্ক এগোতে পারে। অযথা জটিলতা তৈরি হবে না। আসুন জেনে নিই কী সেই ফ্যাক্টরগুলো যা নারীরা আশা করে তার পছন্দের পুরুষের কাছ থেকে।

১) নারীর মন বড় কোমল। তাই তা জয় করার ক্ষেত্রে সততার কোনো বিকল্প নেই। যদি সঙ্গীনি আপনার মিথ্যাকে ধরে ফেলেন, তাহলে তিনি আর সহজে আপনাকে ক্ষমা করতে পারবেন না। একটা দাগ সহজে মুছতে না মেয়েদের মন থেকে এমনটাই বলছে উইমেন্স সাইকোলজি। তাই যাই ঘটুক, সঙ্গীনির কাছে কোনো মিথ্যার আশ্রয় না নেওয়াই ভালো। তাহলে বিশ্বাস নিয়ে টানাটানি হবে না। আর যেকোনো সুস্থ সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস অত্যন্ত জরুরি।

২) আপনি যদি সত্যিই কমিটেড রিলেশনশিপ চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই একজন ভালো শ্রোতা হতে হবে। সঙ্গীনির মনের কথা শুনুন, তার সমস্যাকে জানুন, বুঝুন। সে আপনার কাছে উত্তর আশা করে না, সে চায় কেউ একজন তাকে শুনুক। সে সবসময় কোনো প্রত্যুত্তর আশা করে না, শুধু চায় কেউ একজন থাকুক, যে তার সব কথা শুনবে বিরক্তিহীনভাবে।

৩) মেয়েরা স্বাভাবিকভাবেই মানসিকভাবে ছেলেদের চেয়ে তাড়াতাড়ি পরিণত হয়ে থাকেন। দ্রুত সঙ্গীনির মানসিকতা বুঝে নিয়ে তার সমপর্যায়ের মানসিকতাসম্পন্ন হওয়ার চেষ্টা করুন।

৪) লাইফের রেসে সবাইকেই ছুটতে হয়। তবে অনেকেই জীবনের ইঁদুর দৌড়ে ছুটতে গিয়ে ভুলে যান সঙ্গীনির কথা। কিন্তু সঙ্গীনি তো জীবনের অর্ধেক অংশ সে কথা ভুললে চলবে না। তাকে সঙ্গ দিন। ব্যস্ততার মধ্যে থেকেও সময় বের করুন।

৫) একজনের মানসিক অবস্থা সবসময় একরকম থাকে না। কখনও কখনও হালকা কোনো কথাতেই মেজাজ চড়ে যেতে পারে। আবার কখনও কখনও নীরবতা অভিমানের সাক্ষ্য দেয়। উইমেন্স সাইকোলজি বলছে, মহিলাদের সঙ্গে তর্ক না করে, তাদের অতিরিক্ত রাগ না দেখিয়ে শান্তভাবে আপনার যুক্তি উপস্থাপন করুন। প্রয়োজনে সঙ্গীনির যুক্তি আগে শুনুন। এমনও তো হতে পারে, আপনি ভুল আর সে সঠিক। পারস্পরিক আলোচনা যুদ্ধ অবধি থেমে যায় আর এ তো দুই প্রিয়জনের মান অভিমানের পালা।

Facebook Comments