ভোরে ঘুম থেকে উঠতে চান? তবে এই টিপসগুলো আপনার জন্য

কথায় আছে আর্লি টু বেড, আর্লি টুরাইজ। কিন্তু রাতজাগার অভ্যাস মানুষের দিনকেদিন বাড়ছে। নানা কারণেই অনেকেই রাত প্রায় শেষ করেই ঘুমোন। তাদের একটা বড় সমস্যা হল সকালে কিছুতেই ঘুম থেকে উঠতে না পারা। সময় মতো কর্মক্ষেত্রে পৌঁছতে না পারা। আপনারও যদি এমন হ্যাবিট থেকে থাকে তবে আপনার জন্য রইল কয়েকটি টিপস। এগুলো একটু কষ্ট করে অভ্যাস করতে পারলে দেখবেন সকালে ওঠা কোনও ব্যাপারই হবে না।

১) প্রথমত, কখন ঘুম থেকে উঠতে চান আগে সেটা আগে ঠিক করুন। যেমন ধরুন আপনি সকাল ৭টায় উঠতে চান, কিন্তু রাতে ভাবলেন সাড়ে ৬টায় উঠলে ভালো হয়। এমন ভাবনাই ভুল। যখন উঠতে চান, সেটাই চিন্তা করে রাখুন। অবচেতন মন কোনোভাবে দ্বিধায় থাকলে আপনার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটবে। দেখবেন হয়তো ৬টায় ওঠার জায়গায় আপনার ৪টের সময়ই ঘুম ভেঙে গেল। আসলে আমাদের মনকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের অবচেতন মন। তাই যখন উঠতে চান ঠিক তখনই ঘুম থেকে উঠুন বা অ্যালার্ম দিন। নাহলে মাঝপথে ঘুম ভেঙে যাবে আর তখন আবার ঘুমোলে, ঘুম ভাঙলে অনেক দেরি হয়ে যাবে।

২) সকালে ওঠা যদি অভ্যাস করতে চানতবে মনের ওপর বেশি চাপ দেবেন না। পরদিন সকালে উঠতে হবে ভেবে মনের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেবেন না। বারবার যদি ভাবেন কাল সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে, কাল সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে তাহলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটবেই। আর এইজন্য ঘুমোতে দেরি হবে, আর পরদিন তাড়াতাড়ি ওঠার সব পরিকল্পনাও ভেস্তে যাবে।

৩) দেখবেন সূর্যের আলো চোখে পড়লে ঘুম ভেঙে যায়। তাই যে ঘরে ঘুমোচ্ছেন সেখানে যাতে সকাল হলেই সূর্যের আলো বা রোদ এসে পড়ে সম্ভব হলে সেই ব্যবস্থা করে রাখুন। ঘর যত অন্ধকার থাকবে আলস্য তত বেশি হবে আর ঘুম থেকে উঠতেও তত দেরি হবে। 

৪) কোনও অভ্যাস তৈরি করতে গেলেচাই রুটিন। তাই প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার একটা নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। যত চাপই থাক বা যত রিল্যক্স করার দিনই হোক সিস্টেম ব্রেকনা করাই ভালো। 

৫) অ্যালার্মের শব্দে একবারে উঠে পড়ুন। সম্ভব হলে পাঁচ গোনার মধ্যেই বিছানা ছাড়ুন। নইলে আবার শুয়ে পড়তে ইচ্ছে করবে। যা আপনার এই সুঅভ্যাস তৈরিতে সবচেয়ে বড় বাধা। 

Facebook Comments