নিয়মিত যৌনতা শরীর ও মনে পজিটিভ বার্তা বয়ে আনে

যৌনতা শব্দটি শুনলেই অনেকে হঠাৎ কেমন নাক কোঁচকান। এই শব্দটাতে কেমন যেন একটা নিষিদ্ধতার প্রলেপ দেওয়া। তবে যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার জন্য মানসিক চাপ বোধ করা ঠিক নয়। যৌনতা স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ক্ষতিকর নয় একথা বিজ্ঞানসন্মতভাবেও প্রমানিত। তবে এটাও মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যৌনতায় লিপ্ত হয়ে অপরাধবোধে ভোগা উচিত নয়। এটি একটি আনন্দময় অনুভূতি। যৌনতা, উত্তেজনা এবং চূড়ান্ত যৌন সুখানুভূতি কীভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে আসুন জেনে নিই।

  • ‘আর্কাইভ অফ সেক্সুয়াল বিহেভিওর’ এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নারীরা যতবেশি যৌন মিলন করেন ততই তারা কোনো শব্দ মুখস্থ করার ক্ষেত্রে ভালো পারফর্মেন্স করেন। গবেষকরা মনে করেন, যৌনতা নারীদের মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস এর কোষ বৃদ্ধিতে উদ্দীপনা যোগায়। মস্তিষ্কের এই এলাকাটি স্মৃতি সংরক্ষণের কাজ করে। যে নারীরা প্রায়ই যৌন মিলন করেন তাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। সুতরাং যৌনতা নিয়ে নেগিটিভ বা ক্ষতিকর মনোভাগ সম্পূর্ণভাবে ঠিক নয়।
  • যৌনতা রক্তচাপ ঠিক রাখে। ৫৭ থেকে ৮৫ বছর বয়সে যৌনতায় সক্রিয় নারীরা উচ্চরক্তচাপে ভোগেন না। ‘জার্নাল অফ হেলথ অ্যান্ড সোশাল বিহেভিয়ার’-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে।
  • যৌনতা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে। অপ্রত্যাশিত বা অনাকাঙ্ক্ষিত যৌনতা কমবয়সী নারীদের জন্য ক্ষতিকর। তবে মনের সন্মতিতে যৌনমিলন শরীর ও মনের পক্ষে পজিটিভ বার্তা বয়ে আনে।
  • জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিনের গবেষণা মতে, চুড়ান্ত যৌন সুখানুভূতি ডোপামিন এবং অক্সিটোসিন এর মতো হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়। যৌন উত্তেজনা সৃষ্টির ফলেই এই হরমোনগুলো নিঃসরিত হয়। একই রাসায়নিকগুলো মাংসপেশির খিঁচুনি লাঘবেও সহায়ক হতে পারে পারে বলেও জানা গেছে।
Facebook Comments