শীতকালে যে সমস্ত খাবার অবশ্যই খাবেন

শীতকালে আমাদের শারীরীক পরিবর্তন খুব বেশি পরিমানে লক্ষ করা যায়। যেমন ত্বকের শুষ্কতা। ঠোঁট বা চামড়া ফেটে যাওয়ার সমস্যা। এছাড়াও পেটের সমস্যাও খুব বেশি পরিমানে দেখা যায়। ফলত শীতের খাবার নিয়ে আমরা অনেকটাই সচেতন হতে চাই। আসলে দৈহিক কর্মক্ষমতার সঙ্গে নিজের শারীরীক সুস্থতা বজায় রাখবার জন্য এই সময় আমরা আমাদের খাদ্য তালিকায় অনেকটাই পরিবর্তন নিয়ে আসতে বাধ্য হই। চলুন দেখা যাক কী কী খাবার শীতে আমাদেরকে খেতে হবে।

স্যুপ খাওয়ার অভ্যেস করুন – শীতের বিভিন্ন সবজি নিয়ে স্যুপ তৈরি করে খান। এতে যে শুধু আমাদের পুষ্টির যোগান তৈরি হয় তা নয়। এমনকি আমাদের দেহের তাপমাত্রা সাম্যতায় রাখতে বড়ো ভূমিকা তৈরি করে স্যুপ। আরও ভালো হয় যদি স্যুপের মধ্যে মুরগির মাংস ব্যবহার করতে পারেন।

বাঁধাকপি বেশি করে খান – শীতের সবচেয়ে সস্তার পুষ্টিকর সবজিদের মধ্যে বাঁধাকপি একটি। ভিটামিন সি ও ই থাকায় এটিকে খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখার চেষ্টা করুন। শীতকালীন বহু রোগের উপশম ঘটাতে সাহায্য করে। তাছাড়া বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমানে লৌহ পাওয়া যায়। এটকে স্যালাডের সঙ্গে কাঁচাও খাওয়া যেতে পারে।

বেশি করে শাক খান –  বিভিন্ন ধরনের শাক শীতকালে পাওয়া যায়। পালং শাক ও লাল শাক লৌহসমৃদ্ধ শাক। এ কারণে এই শাক রক্তস্বল্পতায় বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া লাল শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম থাকে। তাই শাক বেশি করে খান। এছাড়া সবুজ ক্লোরোফিল যুক্ত শাক অন্ত্রের সমস্যাতে সাহায্য করে।

মাটির তলার সবজি – মূল জাতীয় সবজিগুলো শীতকালে পাওয়া যায়। গাঁজর, মূলা, ওলকপি, শালগম এসব সবজিগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ আছে। মূলা আলসার ও বদবজম দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া কিডনি ও পিত্ত থলিতে পাথর তৈরি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। গাজরে উপস্থিত ক্যারোকিনয়েড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। শীতের কারণে ত্বকের খসখসে ভাব দূর করে।

শীতের প্রতিটা সবজিতেই উপযুক্ত পরিমান প্রটিন ভিটামিন ও মিন্যারালস থাকে। তাই ঋতুভিত্তিক খাদ্য আমাদের গ্রহণ করা প্রয়োজন। তাতে শারীরীক নানা সমস্যার উপশম হয়।

Facebook Comments