ডায়াবেটিস প্রতিরোধে প্রতিদিন সকালে উঠে যা করা উচিত

বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস রোগটি ঘরে ঘরে দেখা যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটি হল টাইপ ১ ডায়াবেটিস যেখানে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন হয় না। আরেকটি হল টাইপ ২ ডায়াবেটিস যেখানে ইনসুলিন ঠিকমত কাজ করে না। সাধারণত টাইপ ২ ডায়াবেটিস হতে দেখা যায়। অবসাদ লাগা, ওজন হ্রাস, অতিরিক্ত জল পিপাসা, প্রস্রাব বা প্রস্রাবের বেগ পাওয়া, ক্ষত দেরীতে শুকানো ইত্যাদি ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ। ডায়াবেটিসের কোন প্রতিকার নেই। রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে আপনি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। নীচের এই প্রাকৃতিক উপায়গুলো আপনার রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করবে।

১। করলা

তেতো করলা সারিয়ে তুলবে ডায়াবেটিস। সকালে খালি পেটে করলার জুস পান করুন। এটি প্রতিদিন করে দুই মাস পান করুন। এছাড়া প্রতিদিনের খাবারে করলা সবজি হিসেবে রাখতে পারেন। এটি প্যানক্রিয়াটিক ইনসুলিন সিক্রেশন বৃদ্ধি করে। করলা দুই ধরণের ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যই উপকারি।

২। দারুচিনি

এক কাপ গরম জলে আধা চা চামচ দারুচিনি মিশিয়ে পান করুন। এটি প্রতিদিন পান করুন। এছাড়া এক কাপ গরম জলে দুই থেকে চারটি দারুচিনি দিয়ে ২০ মিনিট ফোটান। প্রতিদিন এটি পান করুন। যেকোন খাবারে আপনি দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। দারুচিনির গুঁড়ো রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর উপাদান লিভার ড্যামেইজ করা প্রতিরোধ করে।

৪। মেথি

দুই টেবিল চামচ মেথি সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে এই জল পান করুন। এটি কয়েক মাস পান করুন। এছাড়া দুই টেবিল চামচ মেথি গুঁড়ো দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। মেথি রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ঠিক রাখে। উচ্চ আঁশযুক্ত হওয়ায় এটি শরীরের কার্বোহাইড্রেইড এবং রক্তে গ্লুকোজকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৫। অ্যালোভেরা জেল

আধা চা চামচ তেজপাতার গুঁড়ো, হলুদের গুঁড়ো এবং এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবার খাওয়ার আগে নিয়মিত খান। অ্যালোভেরা এবং হলুদের ওষধি গুণাবলী ডায়াবিটস নিয়ন্ত্রণ করে।



Facebook Comments