মাইকেল জ্যাকসনের যৌনজীবন নিয়ে অন্য কথা বলে তাঁর নিরপত্তারক্ষীর বই

মাইকেল জ্যাকসনকে এমন একজন সেলিব্রিটি যার একবার স্টেজে ওঠা মানেই কোটি কোটি মানুষের আবেগের স্রোতে ভেসে যাওয়া। ১৯৮০-র দশকে পপসম্রাটের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশছোঁয়া। তবে এত খ্যাতির পিছনে ছিল জ্যাকসনের রহস্যেঘেরা জীবন। বিশ্বজোড়া মানুষের উত্সাহ ছিল পপসম্রাটের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।

মাইকেল জ্যাকসনের নিরপত্তারক্ষী জেভন বিয়ার্ডের লেখা বই ‘রিমেম্বর দ্য টাইম: প্রোটেক্টিং মাইকেল জ্যাকসন ইন হিস ফাইনাল ডে’তে উঠে এসেছে তাঁর যৌনজীবনের নতুন দিকের কথা। জেভনের লেখা বই থেকে জানা গেছে, মাইকেল সমকামি তো ছিলেনই না, এমনকী বাচ্চাদের সঙ্গে মাইকেল কখনই যৌনতায় লিপ্ত হবার কথাও সেখানে লেখা নেই। তবে রোজ রাতেই আলাদা আলাদা মেয়ে সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতেন মাইকেল। আর সেই মেয়ে জোগানোর দায়িত্ব ছিল জেভনের ওপরে। ফর্সা মেয়েদের প্রতি মাইকেলের একটু বেশিই দুর্বলতা ছিল। মাইকেলের পছন্দ ছিল টিনএজ মেয়ে।

অন্য অনেক সূত্র মারফত মাইকেল জ্যাকসনের কাছে পর্নোগ্রাফি, জীবজন্তুদের উপর নিপীড়ন, স্যাডো-ম্যাসোকিজম আর শিশুদের উপর অত্যাচার সংক্রান্ত তথ্যও উঠে এসেছে অনেকবার। এইসব নথিপত্র নাকি ২০০৫ সালে জ্যাকসনের বিরুদ্ধে শিশু নিপীড়ন মামলার শুনানিতে পেশ করা হয়েছিল। পরে সেই নথিপত্র আর প্রকাশ করা হয়নি। এইসব নথিপত্র জ্যাকসনকে একজন মাদক ও যৌনতায় আসক্ত শিকারি হিসেবে তুলে ধরে। যিনি পশুহত্যার রক্তাক্ত, যৌন উদ্দীপনাময় ছবি ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বিকৃত যৌন সম্পর্কের ছবি দেখিয়ে শিশুদের নিজের বশে আনতেন বলে অভিযোগ ছিল। ২০০৫ সালে জ্যাকসনের বিরুদ্ধে শিশু নিপীড়নের অভিযোগ এনেছিল গ্যাভিন আর্ভিজো নামের এক ১৩ বছরের কিশোর। ১৪ সপ্তাহ ধরে শুনানি চলার পর জ্যাকসনকে বেকসুর খালাস করা হয়েছিল।

Facebook Comments